পেজ র‌্যাঙ্ক , এনকর টেক্সট , ব্যাকলিংকস ,এলেক্সা র‌্যাঙ্ক , সাইটম্যাপ – বিস্তারিত

পেজ র‌্যাঙ্ক:

 

যার মাধ্যমে গুগল কোন একটি ওয়েব সাইট এর প্রতিটি পেজ এর গুরুত্ব পরিমাপ করে থাকে তাই হচ্ছে পেজ র‌্যাঙ্ক। গুগল সার্চ ইঞ্জিন এ আমরা যখন সার্চ করি তখন সেখানে জেই সার্চ রেজাল্ট দেখতে পারি তার অনেকটাও এই পেজ র‌্যাঙ্ক এর উপর এবং কিছু অন্যান্য বিষয় এর উপর নির্ভর করে থাকে । পেজ র‌্যাঙ্ক এর উদ্ভাবন করেন গুগল এর জনক ল্যারি পেজ এবং সারজে ব্রিন । এই পেজ র‌্যাঙ্ক বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে থাকে যার মধ্যে ব্যাকলিঙ্ক , কি ওয়ার্ড ডেনসিটি এমনি কিছু অন্য বিষয় এর উপর । গুগুল ধরে নেয় যে যখন একটি সাইট অপর একটি সাইটের লিঙ্ক নিজের মধ্যে স্থাপন করে তখন সেটি প্রকৃতপক্ষে অপর সাইটিকে একটি ভোট দিল। তাই আপনার সাইটের জন্য যত বেশি ভোট থাকবে তত বেশি সেটির গুরুত্ব গুগুলে কাছে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও গুগুল অন্যান্য যেসব সাইট আপনার সাইটটিকে লিঙ্ক করে থাকে তাদের নিজস্ব প্রাপ্ত ভোটকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাই অন্যান্য সাইট যেগুলো আপনার সাইটটিকে লিঙ্ক করেছে বা ভোট দিয়েছে তাদের নিজের প্রাপ্ত ভোট যদি বেশি হয়, তবে গুগুলের দৃষ্টিতে আপনার সাইটের গুরুত্ব ততই বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার পেজ র‌্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে ।

 

এনকর টেক্সটঃ

এনকর টেক্সট হচ্ছে একটা ক্লিকযোগ্য টেক্সট যেটা ইউজার দেখে। এবং এই এনকর টেক্সট প্রধানত এইচটিএমএল বা এক্সএইচটিএম এল ব্যাবহার করে করা হয়ে থাকে । এখানে ইউজার ক্লিক করে একটা নতুন পেজে যেতে পারে।এটা এনকর ট্যাগের মধ্যে থাকে <a href=”/…”>এনকর টেক্সট</a> । এস ই ও তে এই এনকর টেক্সট অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।এটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য অন্যতম একটি প্রয়োজনীয় বিষয় । আমরা সাধারনত কোন ওয়েব সাইট এ গেলে দেখতে পাই যে লিখা আছে “CLICK HERE” বা “READ MORE” ওগুলো ও একধরনের এনকর টেক্সট । এই এনকর টেক্সট ব্যাবহার করে আপনি আপনার কোন লিখার মধ্যে পূর্বের কোন লিখা যা বর্তমানে আপনি জেই বিষয়ে লিখছেন তার সাথে সম্পর্কিত বা এমন কোন লিখা বা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা যা এই লিখার পড়ার সময় দরকার হবে তা লিঙ্ক করে দেয়া কে বুজায় ।

 

ব্যাকলিংকস কি?

ব্যাকলিংকস

ব্যাকলিংকস হল আপনার সাইটের একটি লিংক যা অন্য কোন সাইটে প্রকাশ করা হবে অর্থাৎ অন্য সাইটে প্রকাশিত আপনার লিংককেই ব্যাকলিংক বলা হয়। ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি ওয়েব সাইটের পেজ র‌্যাঙ্ক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank”>Google Website</a>

 

ব্যাকলিংক তো বুঝতে পারলেন এবার চলুন দেখে নেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কি ?

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সম্পর্কিত ব্যাকলিংক অর্থাৎ আপনি যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্লগ তৈরি করে থাকেন তবে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সাইটে প্রকাশিত লিঙ্ককেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বলা হয়ে থাকে । ১০০ টি সাধারন ব্যাকলিংক যে পরিমান কাজ করবে ১ টি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সেই পরিমান কাজ করে থাকে ।

অনেকেই না বুঝে যেন তেন সাইটে ব্যাকলিংক দিতে থাকেন এতে করে তার ব্যাকলিংক এর পাহাড় গড়ে উঠে ঠিকই কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন সাইটটিকে স্পাম তালিকাভুক্ত সাইটের তালিকায় ফেলে দেয় এতে নিজের অজান্তে সাইট ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দিন ।

প্রকারভেদের দিক থেকে ব্যাকলিংক সাধারণত দুই প্রকার । নিম্নে দেওয়া হল-

 

• ১, ডু-ফলো ব্যাকলিংক

• ২ নো-ফলো ব্যাকলিংক

 

ডুফলো ব্যাকলিংক কি?

ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাধারন এইচটিএমএল লিংক। যার মাধ্যমে লিংকটি সরাসরি আপনার সাইটকে রেফার করবে এবং ব্লগ বা পোস্ট এই লিংকটিকে সমর্থন দেবে। ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী লিংক। আপনি কি ধরনের ব্লগের কাজ থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে আপনি কি ধরনের রেঙ্ক পাবেন।

উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের ডুফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank” rel=”dofollow”>Google Website</a>

 

নো-ফলো ব্যাকলিংক কি?

নো-ফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে এমন একধরনের লিংক যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তার প্রকাশিত ব্যাকলিংক কে ক্রাওল/ ইন্ডেক্স করতে নিষেধ করে ।। তবে এর মাধ্যমে কিছু ভিজিটর পেতে পারেন। বিশ্বের জনপ্রিয় সাইটগুলো নোফলো ব্যাকলিংক ব্যাবহার করে থাকে যেমন ফেসবুক, টুইটার, উইকিপিডিয়া ইত্যাদি। নোফলো ব্যাকলিংক এর সাথে rel=”nofollow” কোডটি যুক্ত থাকে যা সার্চ ইঞ্জিনকে ইন্ডেক্স করতে বাঁধা দেয়।

উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের নোফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank” rel=”nofollow”>Google Website</a>

 

এলেক্সা র‌্যাঙ্কঃ-

অ্যালেক্সা ইন্টারনেট (Alexa Internet, Inc.) সাইটটি ক্যালিফোর্নিয়ার আমাজন সাইটের একটি সাবসিডিয়ারি সাইট। যা আমরা সাধারনত এলেক্সা.Com নামে চিনি । এই ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এই ওয়েব ইনফরমেশন কোম্পানি থেকে আরো জানা যায় ওয়েব ট্রাফিক সম্পর্কে রিপোর্ট। সাইটটি ১৯৯৬ সালে চালু হয় এবং এই সাইটের মালিক ব্রুস জিলাট ।

এলক্সা হতে আপনি একটি ওয়েব সাইট সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের মালিক, হোস্টিং দেশ ইত্যাদি তথ্য ছাড়াও ওয়েবসাইটের ট্রাফিক সম্পর্কে ধারণা পাবেন । এছাড়া বিশ্বের ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে কোনো ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং কত তা জানতে পারবেন । এসইও’র কাজে অ্যালেক্সা বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ওয়েব বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালেক্সা র‍্যাংকিং-এ যদি কোনো সাইট প্রথম ১,০০,০০০-এর মধ্যে না থাকে, তাহলে যে রিপোর্ট দেখায়, তা প্রকৃতপক্ষে ভুল হয়ে থাকে। অ্যালেক্সা র‍্যাংকিং যদিও বিশ্বনন্দিত, কিন্তু যারা অ্যালেক্সা টুলবার ব্যবহার করেন কেবল তাদের ভিযিটই অ্যালেক্সা গোণে, তাই অ্যালেক্সার তথ্য ১০০ ভাগ নিরপেক্ষ নয় । এস ই ও তে সাধারন ভাবে এলেক্সা এর তেমন চাহিদা না থাকলেও ক্ষেত্র বিশেষ এলেক্সা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । উদাহরন স্বরূপ আপনার যদি কোন ওয়েব সাইট থাকে এবং আপনি তা বিক্রয় করতে চান তখন আপনার বায়ার বা ক্রেতা বেশ কিছু বিষয় এর উপর নির্ভর করে আপনার সাইট কে পর্যালোচনা করবে এবং দাম নিদ্ধারন করবে । এখত্রে ভাল এলেক্সা র‍্যাঙ্ক থাকলে আপনার ভাল দাম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । কারন এতে করে ক্রেতার মনে হয় যে সাইট টি একটি কোয়ালিটি সাইট এবং এতে ভাল ভিসিটর আছে যার কারনে আপনার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক অনেক ভাল । এছাড়াও আপনার সাইট এ বিভিন্ন এডভারটাইসার কোম্পানি এড দিতে আসলে তখন আপনি এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কারনে তার এড আপনার সাইট এ দেয়ার জন্য সে আকৃষ্ট হবে ।

 

এলেক্সা র‍্যাঙ্ককিং প্রধানত নির্ভর করে তাদের এলেক্সা টুলবার , উইজেট সমূহ , সাইট ক্লেমিং ইত্যাদি বিষয়ের উপর । যেমন এলেক্সা র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে এলক্সা তাদের টুলবার হতে ডাটা গ্রহন করে থাকে । আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আমার এলেক্সা হতে জানতে পারি তা হল ভৌগলিক তথ্য অর্থাৎ আপনার সাইট এ কোন দেশ হতে সবচেয়ে বেশি ভিসিটর আসছে , কোন দেশে আপানার ওয়েব সাইট টি সবচেয়ে জনপ্রিয় । এলেক্সা হতে বর্তমানে সবচেয়ে হট টপিক টি সম্পর্কে জানতে আপনি What’s Hot নামে মেনু টি ব্যাবহার করতে পারেন । বর্তমানে কোন ওয়েব সাইট টি শীর্ষে অবস্থান করছে তা দেখতে পারেন শুধু মাত্র নিউমেরিকালি না ক্যাটাগরি অর্থাৎ বিভাগ ভিত্তিক ভাবে , দেশ ভিত্তিক ভাবে । এলেক্সা তে একটি সাইট সম্পর্কে রিভিউ দেয়া জায় যেখান হতে সাইট টি সম্পর্কে আপনি সেই সাইট এর ভিসিটর দের রিভিউ জানতে পারবেন । তাই জদিও এস ই ও এলক্সা র‍্যাঙ্ক এর খুব বড় কোন ভূমিকা নেই তবে এর অর্থনৈতিক ভুমিকার জন্য একে আপনি অবহেলা না করাই উচিত এবং চেস্টা করা উচিত ভাল এলেক্সা র‍্যাঙ্ক পাওয়ার ।

 

সাইট ম্যাপঃ-

সাইট ম্যাপ প্রধানত হচ্ছে ওয়েবমাস্টারদের জন্য একটি সহজ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি ওয়েব সাইট এর অভ্যন্তরীন পেজ গুলোর একটি লিস্ট যা সেই ওয়েব সাইট এর ইউসারদের জন্য বা সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার এর জন্য বানানো হয়ে থাকে । এই সাইটম্যাপ এর মাধ্যমে আপনি গুগল কে বলতে পারবেন আপনার সাইট টির কোন অংশ আপনি চান গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন ক্রল করবে বা কোন পেজ গুলো ক্রল করবে না । সাধারনভানে এক্সএমএল সাইটম্যাপ কে সাইটম্যাপ বলা হয়ে থাকে । জদিও গুগল বেশ কিছু পদ্ধতিতে বা বেশ কিছু ফরমেট এ ক্রল করতে পারে তবে আমরা এক্স এম এল সাইটম্যাপ তৈরি করার জন্য রিকমেন্ড করে থাকি । তবে সাইট ম্যাপ ২ ধরনের হয়ে থাকে ।

 

১ . এক্স এম এল সাইটম্যাপ

২ .  এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ ।

 

এখানে মনে রাখতে হবে যে এক্স এম এল সাইটম্যাপ প্রধানত তৈরি করা হয়ে থাকে বিভিন্ন ক্রলার বা স্পাইডার বা বোট এর জন্য এবং এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ তৈরি করা হয় একটি সাইট এর ইউসারদের জন্য । এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ এ সেই সাইট এর সব গুলো লিখাসমূহের একটি আউটলাইন বা বিশদ লিংক থাকে । এটিও এস ই ও এর জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় ।

এখানে একটি উদাহরন দেয়া হল একটি ইমেজ এবং ভিডিও ইউ আর এল এর সাইটম্যাপ –

 

<?xml version=”1.0″ encoding=”UTF-8″?> <urlset xmlns=”http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9” xmlns:image=”http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1” xmlns:video=”http://www.google.com/schemas/sitemap-video/1.1“> <url> <loc>http://www.example.com/foo.html</loc> <image:image> <image:loc>http://example.com/image.jpg</image:loc> </image:image> <video:video> <video:content_loc>http://www.example.com/video123.flv</video:content_loc> <video:player_loc allow_embed=”yes” autoplay=”ap=1″>http://www.example.com/videoplayer.swf?video=123</video:player_loc> <video:thumbnail_loc>http://www.example.com/thumbs/123.jpg</video:thumbnail_loc> <video:title>Grilling steaks for summer</video:title> <video:description>Get perfectly done steaks every time</video:description> </video:video> </url> </urlset>

 

আপনি আপানার রোবট ফাইল এ আপনার সাইট ম্যাপ এর অবস্থান নির্দেশ করে দিতে পারেন । আপনি গুগল ওয়েবমাস্টার টুল এ গিয়ে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে পারেন এছাড়া আরএস এস ২.০(রিয়েল সিম্পল সিন্ডিকেশন ) , এমএস এস( মিডিয়া ) , এটম ১.০ ফিড , টেক্সট ফরমেট , ইত্যাদি ফরমেট এ ও সাইটম্যাপ সাবমিট করতে পারেন । তবে এমআরএসএস( মিডিয়া রিয়েল সিম্পল সিন্ডিকেশন ) ব্যাবহার করা হয় গুগল কে আপানার ভিডিও কনটেন্ট সম্পর্কে জানানোর জন্য বা মিডিয়া কনটেন্ট যেমন গান প্রভৃতি সম্পকে জানানোর জন্য । যা দেখতে অনেকটা এমন হয় –

 

<?xml version=”1.0″ encoding=”UTF-8″?> <rss version=”2.0″ xmlns:media=”http://search.yahoo.com/mrss/” xmlns:dcterms=”http://purl.org/dc/terms/“> <channel> <title>Example MRSS</title> <link>http://www.example.com/examples/mrss/</link> <description>MRSS Example</description> <item xmlns:media=”http://search.yahoo.com/mrss/” xmlns:dcterms=”http://purl.org/dc/terms/“> <link>http://www.example.com/examples/mrss/example.html</link> <media:content duration=”120″> <media:player url=”http://www.example.com/shows/example/video.swf?flash_params” /> <media:title>Grilling Steaks for Summer</media:title> <media:description>Get perfectly done steaks every time</media:description> <media:thumbnail url=”http://www.example.com/examples/mrss/example.png” height=”120″ width=”160″/> </media:content> </item> </channel> </rss>

 

একটি ভিডিও এর সাইট ম্যাপ এর জন্য নিচের টার্ম গুলো খুব জরুরি ।

  • media:content
  • media:player
  • media:title
  • media:description
  • media:thumbnail

 

এছাড়া আরও কিছু টার্ম রয়েছে জেগুলো গুগল রিকমেন্ড করে স্পেশাল ভিডিও এর জন্য । যেমন কোন ভিডিও নিদ্দিস্ট কিছু দেশ এ দেখা যাবে এমন বা রেস্ট্রিকটেড ভিডিও , অথবা এমন ভিডিও যা দেখার জন্য ভিসিটর দের অবশ্যই পে করতে হবে ।

 

  • media:restriction: For videos that can be played only in some territories.
  • dcterms:valid: For videos that have an expiration date.
  • media:price: For videos users must pay to view.

 

একটি সাইট ম্যাপ এ ৫0,000 এর বেশি ইউ আর এল এর লিস্ট থাকতে পারবে না যদি থাকে তাহের এর জন্য আলাদা সাইটম্যাপ করতে হবে এবং একটি সাইট ম্যাপ এর সাইজ ৫০ এমবি এর বেশি হতে পারবে না । সাধারনত বেশ কিছু সাইট আমরা দেখতে পারি জেগুলো WWW ছাড়া চলে না আবার অনেক দেখি WWW না দিলেও চলে এক্ষেত্রে সে সকল ওয়েব সাইট জেগুলো WWW ছাড়া চলে না তার জন্য আলাদা আলাদা সাইটম্যাপ সাবমিট করতে হবে ।

আপনার ওয়েব সাইট এর কনটেন্ট উপর নির্ভর করে আপানাকে আপনার সাইটম্যাপ তৈরি করতে হবে ।

 

সাধারন সাইট ম্যাপ xmlns=”http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9

ইমেজ xmlns:image=”http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1

ভিডিও xmlns:video=”http://www.google.com/schemas/sitemap-video/1.1

মোবাইল xmlns:mobile=”http://www.google.com/schemas/sitemap-mobile/1.0

নিউস বা খবর xmlns:news=”http://www.google.com/schemas/sitemap-news/0.9“.

 

গুগল নিউস বা খবর টাইপের ওয়েব সাইট এর জন্য আলাদা সাইট ম্যাপ তৈরি করতে রিকমেন্ড করে থাকে । একটি সাইট ম্যাপ এ বিভিন্ন ট্যাগ ব্যাবহার করা হয় যার মধ্যে – [<urlset> , <url> , <loc> , <lastmod> , <changefreq> <priority> ] প্রভৃতি ট্যাগ রয়েছে এবং এর ব্যাবহার ও ভিন্ন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>